মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে ঘোষনগর

প্রবিন লোকের মুখে জানা যায় ততকালীন বৃটিশ সরকার,৯ নং ঘোষনগর ইউনিয়নের খিরসীন গ্রামের মৃত- ডাঃ আব্দুল করিম চৌধুরী কে এই ইউনিয়নের গ্রামপনঞ্চায়েতের শাষন ভার অর্পণ করেছিলেন। কি কারণে যেন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র পুড়ে যায়। এই খবর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা জানার পর,অত্র ইউনিয়নের গণ্য-মান্য ব্যক্তিগণ কে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে-গগনপুর গ্রামের জনাব আজগর আলী মন্ডল কে ২৪-০১-১৯৩৫ ইং তারিখে লিখিত ভাবে  গ্রামপনঞ্চায়েতের ক্ষমতা অর্পণ করেন।এই অফিসের কার্য্যকলাপ তখন  থেকে তাহার বৈঠক খানায় চলিত। ইউনিয়নের বিভিন্ন লোকের চাহিদা অনুশারে একটি অফিস ঘরের প্রয়োজন দেখা দিলে,বিভিন্ন গ্রামের লোক জন তাহাদের নিজ গ্রামে উক্ত অফিস করতে বিভিন্ন মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। এই মতবিরোধ নিরশণের লক্ষে বিভিন্ন গ্রামের মহত-মাতব্বরদের কে নিয়ে পরামর্শের মাধ্যমে সার্ভেয়ার দ্বারা মাপ-যোগ করে ইউনিয়নের মাঝখান নির্ধারণ করেন। ইউনিয়নের মাঝখান নির্ধারণ হয় জামগ্রাম- কোতালী মৌজার মাঝখান।ঐখানে ধান ক্ষেতের মাঠ হওয়ায়,সেখান থেকে ৬/৭ শত গজ দূর পশ্চিমে গগনপুর বাজার নাম ধারন কৃত জামগ্রাম মৌজায় ০৬ কক্ষ বিশিষ্ট একটি মাটির ঘর নির্মাণ করে, সেখানে থেকে ০৭-০৩-২০০৫ ইং তারিখ এই অফিসে পর্যন্ত কাজ কর্ম চলে।এই অফিমের বিভিন্ন কার্য্য কলাপ বৃদ্ধির কারণে,জায়গার সংকলন দেখা দেয়।এই সমস্যা দূর করণের লক্ষে উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের নিকট দরখাস্ত করিলে, এল,জি,ই,ডি,পত্নীতলা,নওগাঁ এর বাস্তবায়নে ততকালীন চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল করিম মন্ডলের শাষণ কালে ২৯-০৪-২০০৪ ইং তারিখে এই ভবণ টি ১৩ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা দ্বিতল ভবণ পত্নীতলা-ধামইরহাট এলাকার এম,পি-জনাব মোঃ সামসুজ্জোহা নির্মানের ভিত্তি স্থাপন করেন।বর্তমান এই ভবনটি ইটের তৈরী।বর্তমান ইউনিয়ন ভবনটি ০৮-০৩-২০০৫ ইং তারিখে শুভ উদ্বোধন করেন -পত্নীতলা-ধামইরহাট এলাকার এম,পি-জনাব মোঃ সামসুজ্জোহা খান (জ্জোহা)। উক্ত তারিখ হইতে আজ পর্যন্ত এই ভবণে কাজকর্ম চলিতেছে।

 

যোগাযোগ: পত্নীতলা সদর হইতে ৬.৫ কি:মি: পূর্ব দিকে গগনপুর বাজারে গগনপুর-নজিপুর রাস্তা সংলগ্ন।

যাতায়াত ব্যবস্থা: রিক্সা,ভ্যান,সি,এন,জি, ইত্যাদি।


Share with :

Facebook Twitter